ঢাকায় জ্যোতিষীর ফি কত? (২০২৬ মূল্য নির্দেশিকা)
ঢাকায় একটি পূর্ণ জ্যোতিষ বৈঠকের খরচ সাধারণত ৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকার মধ্যে। রাস্তার বা মাজারের জ্যোতিষীরা কয়েক লাইনের জন্য নেন ১০ থেকে ১০০ টাকা।…
পুরোটা পড়ুন →জ্যোতিষ আমাদের কাছে ভাগ্য গণনার খেলা নয়। কুণ্ডলী দেখায় কোন সময়ে কোন পথ খোলা, কোথায় বাধা, আর কোন সিদ্ধান্তটা কখন নিলে কাজে দেবে। জ্যোতিষী মুসা হোসেন বৈদিক পদ্ধতির ভিত্তির সঙ্গে পাশ্চাত্য জ্যোতিষ ও আধুনিক পরামর্শ মিলিয়ে আপনাকে প্রতিকার ও করণীয় দুটোই দেন — যাতে আপনি নিজের ভবিষ্যৎ নিজে গড়তে পারেন।

প্রাচীন শাস্ত্রের গভীরতা আর আধুনিক জীবনের বাস্তবতা — দুটোকে আলাদা রাখার কোনো কারণ নেই। আমরা যেটা যেখানে কাজে দেয়, সেটাই ব্যবহার করি।
পরাশরী পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ জন্মকুণ্ডলী — লগ্ন, চন্দ্রকুণ্ডলী, বিভাগীয় কুণ্ডলী, বিংশোত্তরী দশা ও অষ্টকবর্গ। শুধু রাশিফল নয়, পুরো কুণ্ডলী।
প্রতিটি কথার পেছনে কুণ্ডলীর নির্দিষ্ট যোগ বা দশা দেখানো হয়। কোনটা নিশ্চিত আর কোনটা সম্ভাবনা — তা স্পষ্ট করে বলা হয়। ভয় দেখিয়ে কিছু বিক্রি করা হয় না।
ট্রানজিট, প্রোগ্রেশন, সিনাস্ট্রি ও সাইকোলজিক্যাল অ্যাস্ট্রোলজির আধুনিক কৌশল যোগ করে বাস্তব করণীয় পরিকল্পনা তৈরি করা হয় — কেবল প্রতিকার নয়, দিকনির্দেশনা।
প্রতিটি সেবার জন্য প্রতি সেশন ১,০০০ টাকা, সময় সর্বোচ্চ ৬০ মিনিট।
বারোটি ভাব, বিভাগীয় কুণ্ডলী ও চলমান দশা ধরে সম্পূর্ণ পাঠ — কী হবে নয়, কখন কী করতে হবে।
বিস্তারিত →মঙ্গল, কালসর্প, পিতৃদোষ, সাড়েসাতি — সৎভাবে মাপা, এমনকি যখন দোষ ভঙ্গ হয়ে গেছে সেটাও।
বিস্তারিত →৩৬ পয়েন্টের গুণ মিলনের সঙ্গে নবাংশ, দশার সমন্বয় ও স্পষ্ট মতামত — শুধু নম্বর ধরিয়ে দেওয়া নয়।
বিস্তারিত →১০০% প্রাকৃতিক জ্যোতিষমানের পাথর, কেনার আগে দেখে নেওয়ার সুযোগ। দরকার না হলে স্পষ্ট করে বলা হয়।
বিস্তারিত →বিবাহ, গৃহপ্রবেশ, ব্যবসা শুরু, অস্ত্রোপচার ও ভ্রমণের সময় — আপনার নিজের কুণ্ডলী থেকে গণনা করা।
বিস্তারিত →হস্ত সামুদ্রিক শাস্ত্র কুণ্ডলীর পাশাপাশি যাচাই হিসেবে — মুসা হোসেনের বিশেষ দক্ষতার একটি।
বিস্তারিত →প্রতিটি সেবার জন্য · প্রতি সেশন · সময় সর্বোচ্চ ৬০ মিনিট
একটাই দর, সব সেবার জন্য এক। সেশনের মাঝপথে বাড়তি খরচ যোগ হয় না, আর প্রতিকার নেওয়া কখনোই পরামর্শের শর্ত নয়।
সরাসরি ফোন করুন অথবা ফর্মে নাম, জন্মতারিখ, সঠিক সময় ও স্থান পাঠান। সময় জানা না থাকলে সেটাও জানিয়ে দিন — সংশোধনের ব্যবস্থা আছে।
সেশনের আগেই আপনার কুণ্ডলী তৈরি ও পড়া হয়। বিভাগীয় কুণ্ডলী, দশা ও গোচর আগে থেকেই বের করা থাকে।
ফোনে, ভিডিও কলে অথবা মালিবাগের অফিসে সরাসরি বসে। বাংলা, ইংরেজি বা হিন্দিতে। ফি ১,০০০ টাকা।
সেশন শেষে লিখিত সারসংক্ষেপ, অগ্রাধিকারসহ করণীয় তালিকা এবং প্রয়োজন হলে রত্ন বা মন্ত্রের নির্দিষ্ট বিধান।

হোসাফ শপিং কমপ্লেক্স, মালিবাগ মোড়, ঢাকা-১২১৭-এ সপ্তাহে ছয় দিন বসে কুণ্ডলী দেখা হয়। ঢাকার বাইরে বা দেশের বাইরে থাকলে একই সেশন ফোনে বা ভিডিও কলে হয়।
ঢাকায় একটি পূর্ণ জ্যোতিষ বৈঠকের খরচ সাধারণত ৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকার মধ্যে। রাস্তার বা মাজারের জ্যোতিষীরা কয়েক লাইনের জন্য নেন ১০ থেকে ১০০ টাকা।…
পুরোটা পড়ুন →ঢাকায় “সেরা জ্যোতিষী” বলে একজন কেউ নেই — আর যিনি নিজেকে সেরা বলেন, তিনি আসলে কিছু একটা বিক্রি করছেন। যা আছে তা হলো কয়েকটি…
পুরোটা পড়ুন →“প্রথমবার এমন একজনের কাছে গেলাম যিনি দশ মিনিটের মধ্যে পাথর ধরিয়ে দেননি। চাকরি পরিবর্তনের যে সময়টা বলেছিলেন, তার তিন সপ্তাহের মধ্যেই অফারটা এসেছিল।”
“আমাদের গুণ মিলনের নম্বর কম ছিল, দুজন আমাদের বিয়ে করতে নিষেধ করেছিলেন। এখানে দোষটা কেন ভঙ্গ হয়েছে সেটা নবাংশ দেখিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের সব প্রশ্নের উত্তরও মিলেছিল।”
“আমি যথেষ্ট সন্দেহ নিয়েই এসেছিলাম এবং কঠিন প্রশ্ন করেছিলাম। রহস্যময় কথার বদলে ধৈর্য ধরে যুক্তি দিয়ে উত্তর পেয়েছি। যেকোনো ভবিষ্যদ্বাণীর চেয়ে সেটাই বেশি ভরসা তৈরি করেছে।”
প্রতিটি সেবার জন্য প্রতি সেশনে ১,০০০ টাকা, সময় সর্বোচ্চ ৬০ মিনিট। এক সেশনে একটি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একাধিক বিষয় থাকলে আলাদা সেশন নিতে হয়, যাতে কোনো বিষয়ই তাড়াহুড়ো করে শেষ করতে না হয়। ফি অগ্রিম, বিকাশ বা নগদে দেওয়া যায়।
না। ভিত্তি বৈদিক — পরাশরী পদ্ধতি, বিংশোত্তরী দশা, বিভাগীয় কুণ্ডলী। কিন্তু তার সঙ্গে পাশ্চাত্য ট্রানজিট, প্রোগ্রেশন, সিনাস্ট্রি ও আধুনিক পরামর্শ পদ্ধতি মিলিয়ে কাজ করা হয়। দুটো ধারার যেটা যেখানে বেশি কাজে দেয়, সেটাই ব্যবহার করা হয় — এবং কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে তা স্পষ্ট করে বলা হয়।
না, এবং আমরা সেই দাবিও করি না। কুণ্ডলী প্রবণতা, সময় ও পরিস্থিতির ধরন দেখায় — বাঁধা চিত্রনাট্য নয়। আমাদের কাজ ভবিষ্যৎ জানানো নয়, ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করা। কোন সময়ে কোন সিদ্ধান্ত নিলে সুবিধা হবে, কোন সময়ে ধৈর্য ধরতে হবে — সেটাই মূল কথা।
এটা খুব সাধারণ সমস্যা এবং এর সমাধান আছে। বিবাহ, চাকরি পরিবর্তন, স্থানান্তর, সন্তানের জন্ম বা পরিবারের বড় ঘটনার তারিখ ধরে পিছিয়ে হিসাব করে লগ্ন নির্ণয় করা হয়। তাতেও না হলে চন্দ্রকুণ্ডলী থেকে পাঠ করা হয় এবং নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য প্রশ্নশাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
না। অনেক কুণ্ডলীতে কোনো পাথরের দরকারই হয় না, এবং সেটা স্পষ্ট করেই বলা হয়। যেখানে রত্ন নির্দেশিত, সেখানে পাথর, ওজন, ধাতু, আঙুল ও ধারণের মুহূর্ত — সবকিছুর নির্দিষ্ট বিবরণ দেওয়া হয়। আপনি যেখান থেকে খুশি সংগ্রহ করতে পারেন।
জন্মতথ্য আর আপনার আসল প্রশ্নগুলো নিয়ে আসুন। স্পষ্ট পাঠ, নির্দিষ্ট সময়, আর প্রতিকার শুধু সেখানেই — যেখানে কুণ্ডলী সত্যিই চায়।